রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
২০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ১২ ঘণ্টার মধ্যে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে সূত্রাপুর থানা পুলিশ পরিবহন শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবায় ডিএমপির ‘পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৩৯১৮ মামলা ২০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৬ জন গ্রেফতার ডিএমপির বিশেষ অভিযানে রাজধানীতে ৬৩ জন গ্রেফতার তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পীকার চুরির মামলার ঘটনায় আসামি গ্রেফতারসহ ৯টি চোরাই সেলাই মেশিন উদ্ধার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধারসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে রামপুরা থানা পুলিশ

টিয়ারশেলের আঘাতে আমার বাবা মারা যাননি: সাংবাদিক রফিক ভূঁইয়ার মেয়ে

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৪৫৪ Time View

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রফিক ভূঁইয়া (৭৩) গতকাল মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে তিনি বিএনপি-পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে টিয়ারশেলের আঘাতে রিকশা থেকে পড়ে মারা গেছেন। কিন্তু তাঁর কন্যা ঊর্মি জানিয়েছেন ভিন্ন কথা। প্রয়াত সাংবাদিক রফিক ভূঁইয়ার মেয়ে জানান তাঁর বাবা টিয়ারশেলের আঘাতে নয়, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে (স্ট্রোক) মারা গেছেন।
নিহত রফিক ভূঁইয়া জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য ও সাপ্তাহিক নতুন কাগজ–এর সম্পাদক ছিলেন। সোমবার (৩০ অক্টোবর) বাংলাভিশনের সঙ্গে ফোনালাপে রফিক ভূঁইয়ার মেয়ে ঊর্মি তার বাবার মৃত্যু নিয়ে প্রচারিত বিভিন্ন সংবাদের আপত্তি তুলে বলেন, আমার বাবার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি কোনো সংঘর্ষে জড়াননি।
ঊর্মি বলেন, রিকশা করে যাওয়ার পথে আমার বাবা হঠাৎ স্ট্রোক করে রিকশা থেকে পড়ে যান। এরপর তার ব্রেইন ডেড হয়ে যায়। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। স্ট্রোক করার কারণে ব্যালান্স রাখতে না পেরে রিকশা থেকে পড়ে যান। আর তখন মাথার পিছনে ব্যথা পাওয়া ইন্টার্নাল ব্লিডিং হয়েছে।
বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে টিয়ারশেলে মৃত্যু নিয়ে যেসব তথ্য প্রচারিত হচ্ছে সেগুলো নিয়ে আপত্তি তুলে ঊর্মি জানান, এধরনের খবর একেবারেই মিথ্যা। যদি টিয়ারশেলের আঘাতে আমার বাবা মারা যেতেন, তাহলে আমরাই জিডি করতাম বা অভিযোগ করতাম। কিন্তু স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা এগুলো করিনি। আমরা কিছু না বললেও কিছু মানুষ এই ঘটনায় নানান রং মিশিয়ে বিভিন্নভাবে প্রচার করছে।
পরে নিজের বাবার নানান কীর্তি তুলে ধরে ঊর্মি বলেন, আমার বাবা দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন কিন্তু কোনো বেনেফিট নেননি। সুবিধা নিতে রাজি হননি বলে মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটও তিনি ছিঁড়ে ফেলেন। এই মানুষটাকে নিয়ে যারা এধরনের মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে তাদেরকে থামতে বলেন সাংবাদিক রফিক ভূঁইয়ার মেয়ে।
এর আগে শনিবার প্রেসক্লাবে যাওয়ার পথে সেগুনবাগিচায় রিকশা থেকে পড়ে মাথায় আঘাত পান রফিক ভূঁইয়া। পরে তাকে কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে সেখান থেকে আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় তিনি মারা যান।
রফিক ভূঁইয়া ১৯৫১ সালের ১০ জানুয়ারি ফেনীর দাগনভূঞায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চার ছেলে ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।
সূত্রঃবাংলাভিশন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved weeklyekusheynews.com
Theme Customized By BreakingNews