রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
২০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ১২ ঘণ্টার মধ্যে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে সূত্রাপুর থানা পুলিশ পরিবহন শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবায় ডিএমপির ‘পাক্ষিক হেলথ ক্যাম্প’ অনুষ্ঠিত ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ৩৯১৮ মামলা ২০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৬ জন গ্রেফতার ডিএমপির বিশেষ অভিযানে রাজধানীতে ৬৩ জন গ্রেফতার তরুণ সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার বিকল্প নেই: ডেপুটি স্পীকার চুরির মামলার ঘটনায় আসামি গ্রেফতারসহ ৯টি চোরাই সেলাই মেশিন উদ্ধার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধারসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে রামপুরা থানা পুলিশ

সেন্ট্রাল রোডে শিশু গৃহকর্মী হত্যাকারীর মূল আসামী গৃহকর্ত্রী গ্রেফতার

  • Update Time : রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৯৩ Time View

বিশেষ-প্রতিনিধি:
আজ রবিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এবিষয়ে বিস্তারিত জানান রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, পিপিএম।
গ্রেফতারকৃতের নাম মোছাঃ সাথী আক্তার পারভীন ডলি। গতকাল শনিবার যশোর থেকে তাকে গ্রেফতার করে কলাবাগান থানার একটি টিম।
উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, গত ২৬ আগস্ট কলাবাগান থানার সেন্ট্রাল রোডের একটি বাসা থেকে পুলিশ একটি শিশুর লাশ উদ্ধার করে। নিহত শিশুর নাম হেনা। তার বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায়। পিতা-মাতাহীন হেনাকে তিন বছর আগে ঢাকায় নিয়ে আসেন সাথী আক্তার। ভিকটিমের আত্মীয়স্বজনের আর্থিক সচ্ছলতা না থাকায় কলাবাগান থানা পুলিশের সহায়তায় লাশ দাফনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গত ২৪ আগস্ট রাতে কলাবাগান থানার সেন্ট্রাল রোডের একটি বাসায় গৃহকর্ত্রী মোছাঃ সাথী পারভীন ডলি তার গৃহকর্মীকে নৃশংসভাবে শারীরিক নিযার্তন করে হত্যা করে। লাশ বিছানার উপরে ফেলে রেখে পরদিন সকালে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কলাবাগান থানায় মামলা রুজু করা হয়। কলাবাগান থানা পুলিশের একাধিক টিম সাথীকে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় গ্রেফতারের চেষ্টা করে। কিন্তু সাথীর কাছে কোন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় তিন শতাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচানায় তাকে বিভিন্ন সময় ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে কখনও রিক্সায় কখনও পায়ে হেঁটে চলাফেরা করতে দেখা যায়। এছাড়াও পথচারীর মোবাইল ফোন ব্যবহার করেও কথা বলতে দেখা যায়। পরবর্তীতে যশোর জেলার কোতয়ালী থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত সাথী ভিকটিম হেনাকে বাসায় আনার পর থেকেই প্রতিনিয়ত শারীরিক নির্যাতন করতো। নির্যাতনের কারণে ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা, পোড়া ও রক্তাক্ত জখম হয়। ভিকটিমকে তার আত্মীয়স্বজনদের সাথে কখনো দেখা কিংবা মোবাইল ফোনে কথা বলতে দিত না। ঘটনার দিন ভিকটিম হেনার গলায় এবং মুখ চেপে রেখে নির্যাতন করায় মারা যায় বলে স্বীকার করেছে গ্রেফতারকৃত গৃকর্ত্রী সাথী আক্তার।
হত্যার কারণ সম্পর্কে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, শিশুটিকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে নির্যাতন করা হয়েছে। বাচ্চার খাবার খাওয়ায় শিশুটিকে নির্যাতন করে সাথী। অনেক সময় তার বাচ্চার সঙ্গে খেলাধুলার সময় মারামারি হলে সেটা দেখেও নির্যাতন করতেন গৃহকত্রী।
গ্রেফতারকৃত সাথী আক্তারকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানানো হয় ব্রিফিংয়ে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশের ঊর্ধ্বতম কর্মকর্তা সহ সাংবাদিকবৃন্দ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved weeklyekusheynews.com
Theme Customized By BreakingNews