একাদশ জাতীয় সংসদ (২০১৮) নির্বাচনে ‘রাতের ভোটের কারিগর’ হিসেবে পরিচিত পুলিশ ক্যাডারের অন্তত ৩৩ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে। বিসিএস ২০তম ব্যাচের এসব কর্মকর্তা নির্বাচনের সময় পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদ ও জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) ছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন সাময়িক বরখাস্ত হলেও বেশিরভাগই ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) অবস্থায় আছেন। তাদের চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় বিতর্কিত নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিগগিরই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এ ছাড়া ওই সময়ে বিভিন্ন জেলার দায়িত্বে থাকা অন্তত ৩৩ জন ডিসিকেও (জেলা প্রশাসক) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হতে পারে। একই ব্যাচের (২০তম) বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের এসব কর্মকর্তা ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমানে তারা সবাই ওএসডি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা সময়কে প্রায় অভিন্ন তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনকারী ডিসি ও এসপিদের ওএসডি করে রাখা হয়েছে। তাদের চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় এখন বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত বছর ২০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা ২২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায় অন্তর্বর্তী সরকার। এর এক দিন পরই নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তৎকালীন স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লিখেছিলেন— ‘২০১৮ সালের রাতের ভোটের নির্বাচনে ৬৪ জেলার দায়িত্বে থাকা এসপিদেরও বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হবে।’ এর তিন দিন পরই ওই সময়ের ৬০ জন এসপিকে ওএসডি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বর্তমানেও তারা একই অবস্থায় আছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় ৬৪ জন এসপির মধ্যে বিসিএস ২০তম ব্যাচেরই অন্তত ২৯ জন ছিলেন। এর বাইরে একই ব্যাচের অন্তত আরও ৪ জন (এসপির পদমর্যাদার) কর্মকর্তা পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে রাতের ভোটের কারসাজিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।
এসব কর্মকর্তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জের এসপি হারুন অর রশীদ এবং হবিগঞ্জের এসপি বিধান ত্রিপুরা সাময়িক বরখাস্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ দুজনসহ ব্যাচের ৩৩ কর্মকর্তাকে স্থায়ীভাবে অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ব্যাচের কর্মকর্তারা ২০০১ সালের ৩১ মে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। সেই হিসেবে গত ৩০ মে তাদের প্রত্যেকের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। সরকার চাইলেই কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে তাদের অবসরে পাঠাতে পারে।
সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ ধারায় বলা হয়েছে— ‘কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ (পঁচিশ) বৎসর পূর্ণ হইবার পর যেকোনো সময় সরকার, জনস্বার্থে, প্রয়োজনীয় মনে করিলে কোনোরূপ কারণ না দর্শাইয়া তাহাকে চাকরি হইতে অবসর প্রদান করিতে পারিবে: তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, সেইক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।’
চাকরি হারানোর তালিকায় যেসব পুলিশ কর্মকর্তা—
শাহ মিজান শাফিউর রহমান: ২০১৮ সালে নির্বাচনের সময় তিনি ঢাকা জেলার এসপি ছিলেন। এরপর ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের আগপর্যন্ত ছিলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি।
হারুন অর রশীদ: আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাপক আলোচিত কর্মকর্তা ছিলেন মো. হারুন অর রশীদ। নির্বাচনের সময় তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার এসপি ছিলেন। ২০১১ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুককে লাঠিপেটা করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। ২০২১ সালে পদোন্নতি পেয়ে হন অতিরিক্ত ডিআইজি। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) যোগ দেন যুগ্ম কমিশনার হিসেবে।
জুলাই বিপ্লবের সময় ছয় সমন্বয়ককে ডিবি কার্যালয়ে আটকে রাখার ঘটনায় তাকে বদলি করা হয় ডিএমপি সদর দপ্তরে। দায়িত্ব দেওয়া হয় অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) হিসেবে। রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর থেকে তিনি পলাতক। তাকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছে।
সৈয়দ নুরুল ইসলাম: নির্বাচনের সময় কুমিল্লা জেলার এসপি ছিলেন সৈয়দ নুরুল ইসলাম। জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় তিনি ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি। রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর তাকে পুলিশ একাডেমি সারদায় সংযুক্ত করা হয়।
জিহাদুল কবির: ২০১৮ সালে নির্বাচনকালীন জিহাদুল কবীর ছিলেন চাঁদপুর জেলার এসপি। ওএসডি হওয়ার আগপর্যন্ত ডিআইজি হিসেবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআিই) ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় তিনি বরিশাল মহানগর পুলিশের কমিশনার ছিলেন।
মিরাজ উদ্দিন আহমেদ: ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় নরসিংদীর এসপি ছিলেন মিরাজ উদ্দিন আহমেদ। ওএসডির আগপর্যন্ত ডিআইজি হিসেবে রেলওয়ে পুলিশে সংযুক্ত ছিলেন।
শামসুন্নাহার: একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় গাজীপুর জেলার এসপি ছিলেন ড. শামসুন্নাহার। ওএসডি হওয়ার আগপর্যন্ত তিনি সারদা, রাজশাহীতে সংযুক্ত ছিলেন।
নূরে আলম মিনা: নির্বাচনের সময় চট্টগ্রাম জেলার এসপি ছিলেন নূরে আলম মিনা। রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের আগে তিনি চট্টগ্রামের ডিআইজি ছিলেন। ২০১২ সালে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পান।
সাইফুল ইসলাম: বরিশালের এসপি ছিলেন ২০তম ব্যাচের পুলিশ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম। এরই মধ্যে ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর তাকে রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে সংযুক্ত করা হয়।
মাশরুকুর রহমান খালেদ: একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় কিশোরগঞ্জে এসপির দায়িত্বে ছিলেন মাশরুকুর রহমান খালেদ। পরে তাকে পদোন্নতি দিয়ে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
ইলিয়াছ শরীফ: ইলিয়াছ শরীফ ছিলেন নোয়াখালী জেলার এসপি। পরে তিনি পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি ও পরে ডিআইজি হন। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় তিনি বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন।
আনোয়ার হোসেন খান: ২০১৮ সালে আনোয়ার হোসেন খান ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসপি। ওএসডি হওয়ার আগপর্যন্ত রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) চট্টগ্রামের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন।
জাকির হোসেন খান: ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় জাকির হোসেন খান ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার। ওএসডি হওয়ার আগপর্যন্ত তিনি ঢাকার পিবিআইয়ে ডিআইজি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন।
মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান: একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় গোপালগঞ্জের এসপি ছিলেন সাইদুর রহমান খান। তিনি ওএসডি হওয়ার আগপর্যন্ত ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন।
শাহ আবিদ হোসেন: নির্বাচনের সময় ময়মনসিংহের এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শাহ আবিদ হোসেন পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হন। ওএসডি হওয়ার সময় তিনি ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন।
আলমগীর কবির: নির্বাচনের সময় রাঙামাটির এসপি ছিলেন মো. আলমগীর কবীর। ওএসডি হওয়ার সময় তিনি অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পুলিশ একাডেমি সারদায় কর্মরত ছিলেন।
মনিরুজ্জামান: একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁওয়ের এসপি ছিলেন মনিরুজ্জামান। ওএসডি হওয়ার আগে তিনি সারদার পুলিশ একাডেমির ডিআইজি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন।
বরকতুল্লাহ খান: সুনামগঞ্জের ওই সময়ে এসপি ছিলেন বরকতুল্লাহ খান। গত বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি ওএসডি হওয়ার সময় অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।
মাহবুবুর রহমান: চুয়াডাঙ্গার এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মাহবুবুর রহমান ওএসডি হওয়ার সময় অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটে (এটিইউ) সংযুক্ত ছিলেন।
মঈনুল হক: একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় যশোরের এসপি ছিলেন মঈনুল হক। ওএসডি হওয়ার আগপর্যন্ত তিনি রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে ডিআইজি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন।
খান মুহাম্মদ রেজোয়ান: খান মুহাম্মদ রেজোয়ান একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় মাগুরার এসপি ছিলেন। ওএসডি হওয়ার আগপর্যন্ত তিনি এসপিবিএন-২-এর অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
টুটুল চক্রবর্তী: ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় সিরাজগঞ্জের এসপি ছিলেন টুটুল চক্রবর্তী। ২০তম ব্যাচের এ কর্মকর্তা ওএসডি হওয়ার সময় খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত িডআইজি হিসেবে ছিলেন।
রশীদুল হাসান: নির্বাচনের সময় বেশ সক্রিয় ছিলেন জয়পুরহাট জেলার এসপি রশীদুল হাসান। ওএসডি হওয়ার সময় তিনি পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মনিরুজ্জামান: সিলেটের এসপি ছিলেন মো. মনিরুজ্জামান। এটিইউতে কর্মরত থাকা অবস্থায় ওএসডি হন।
শেখ রফিকুল ইসলাম: পাবনার এসপি ছিলেন শেখ রফিকুল ইসলাম। ওএসডি হওয়ার সময় তিনি খাগড়াছড়ির এপিবিএন বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গিয়াস উদ্দিন আহমেদ: পঞ্চগড়ের এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গিয়াস উদ্দিন আহমেদ। ওএসডি হওয়ার সময় তিনি এপিবিএনের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন।
সাইফুল্লাহ আল মামুন: শরীয়তপুরের এসপি ছিলেন সাইফুল্লাহ আল মামুন। ওএসডি হওয়ার সময় তিনি শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ছিলেন।
টি এম মোজাহিদুল ইসলাম: চাঁপাইনবাবগঞ্জের তৎকালীন এসপি টি এম মোজাহিদুল ইসলাম ওএসডি হওয়ার সময় অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে এটিইউতে কর্মরত ছিলেন।
মেহেদুল করিম: কুড়িগ্রাম জেলায় এসপি ছিলেন মো. মেহেদুল করিম। ওএসডি হওয়ার আগে রংপুরের আরআরএফের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন।
আতঙ্কে সাবেক ৩৩ ডিসি: এদিকে চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় চাকরি হারানোর আতঙ্কে আছেন একাদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালন করা ৩৩ ডিসি। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে তাদের ওএসডি করা হয়। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তারা হলেন— চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, পঞ্চগড়ের সাবিনা ইয়াসমিন, মেহেরপুরের ড. আতাউল গনি, পিরোজপুরের আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, সিলেটের এম কাজী এমদাদুল ইসলাম (সাময়িক বরখাস্ত), সাতক্ষীরার এস এম মোস্তফা কামাল, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভিন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, মাগুরার মো. আলী আকবর, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদ ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জে এম নুরুল হক।
বরিশালের এ জেড এম অজিয়র রহমান, ভোলার মোহাম্মদ আলম ছিদ্দিকী, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাস, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নওগাঁর মো. মিজানুর রহমান, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, শেরপুরের আনার কলি মাহবুব, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, নেত্রকোনার মঈন উল ইসলাম, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের, ঠাকুরগাঁওয়ের ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম, বগুড়ার কবীর মাহমুদ, দিনাজপুরের মো. মাহমুদুল আলম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ডিসি হায়াত উদ দৌলা খান।