Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
সাপ্তাহিক একুশে সাপ্তাহিক একুশে

সরকারি মিডিয়াভুক্ত অনলাইন মোবাইল নাম্বার-০১৭৯০৫৬১৫৯৭

সাপ্তাহিক একুশে সাপ্তাহিক একুশে

সরকারি মিডিয়াভুক্ত অনলাইন মোবাইল নাম্বার-০১৭৯০৫৬১৫৯৭

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • কৃষি সংবাদ
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • আইন-আদালত
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • কৃষি সংবাদ
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • আইন-আদালত
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
Subscribe
Close

Search

ঢাকা, ২৮ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. সম্প্রতি যুগান্তর পত্রিকায় (২৬ এপ্রিল) বিজ্ঞাপন আকারে বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট এবং বার মালিক সমিতি কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার ও রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের বিষয়ে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যার- শিরোনাম ‘বৈধ বারে পুলিশের অবৈধ অভিযান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ”। উক্ত প্রতিবেদনে উপস্থাপিত তথ্য একপাক্ষিক, বাস্তবতা বিবর্জিত ও আইনের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমতি ছাড়া অনুমোদিত বারে র‍্যাব-পুলিশের অভিযান সম্পূর্ণ অবৈধ এমন ধারণা সঠিক নয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী অধিদপ্তর মূলত লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রণমূলক বিষয় দেখভাল করে, তবে কোথাও বলা নেই যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের অনুমতি ছাড়া অভিযান চালাতে পারবে না। বরং ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এবং পুলিশ রেগুলেশনস বেঙ্গল ১৯৪৩,ডিএমপি অধ্যাদেশ ১৯৭৬ সহ কতিপয় আইন ও বিধি অনুযায়ী পুলিশের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আমলযোগ্য অপরাধ (Cognizable Offence) সংঘটনের সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে সেক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করতে পারে। এক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশের স্বাধীন ক্ষমতা রয়েছে। ফলে লাইসেন্স সংক্রান্ত প্রশাসনিক বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ভূমিকা থাকলেও, কোনো বারে মাদক বা অন্য অপরাধমূলক কার্যকলাপের কোন অভিযোগ থাকলে পুলিশ বা র‍্যাবের একক অভিযান আইনগতভাবে বৈধ। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ২২ ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, “এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে জারিকৃত সকল পরোয়ানা, তল্লাশি, গ্রেফতার, ক্রোক, বাজেয়াপ্তি ও আটকের বিষয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করিতে হইবে।”

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ২৩ ধারায় উল্লেখিত ‘লাইসেন্স প্রিমিজেস’ ব্যতীত যে কোন সময় উক্ত স্থানে পুলিশসহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য কর্তৃক প্রবেশপূর্বক তল্লাশি করতে আইনগত কোনো বাধা নেই। তল্লাশিকালে বাধাপ্রাপ্ত হলে বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙাসহ যে কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। উক্ত ধারায় ‘লাইসেন্স প্রিমিজেস’ এর ভিতরে লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যক্তি ব্যতীত যে কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি, আটক, মালামাল বাজেয়াপ্ত করতে আইনগত কোন বাধা নেই। এখানে উল্লেখ্য যে, বিগত ১৪/০৩/২০২৬ খ্রি. তারিখে মিরপুরে অবস্থিত ‘পার্ক ভিউ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার’ এবং বিগত ২৪/০৪/২০২৬ খ্রি. তারিখে উত্তরায় অবস্থিত ‘কম্বি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার’ এ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে যথাক্রমে ৩৫ জন এবং ১২৮ (৭১ জন পুরুষ ও ৫৭ জন মহিলা) কে আটক করে। আটককৃত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে পারমিটবিহীন মাদক গ্রহণ ও অসামাজিক কার্যক্রমে লিপ্ত থাকাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় বিজ্ঞ স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সংক্ষিপ্ত বিচারে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া ৩০/১২/২০২৫ খ্রিঃ তারিখে গুলশানের আরএম সেন্টারে ‘র ক্যানভাস’ এ অভিযানের পর জব্দকৃত আলামত সহ গুলশান থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে, যা বিজ্ঞ আদালতের এখতিয়ারে সংশ্লিষ্ট থানা কর্তৃক তদন্তাধীন। কাজেই পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি বিচার বিভাগ ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর আইনসিদ্ধ কার্যক্রমকে জনসম্মুখে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে-যা অনভিপ্রেত।

বাংলাদেশ পুলিশ একটি সংবিধিবদ্ধ ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে দেশের সংবিধান এবং প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে থাকে। আইন অনুযায়ী কোনো স্থানে অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা, লাইসেন্স শর্ত লঙ্ঘন, অবৈধ মাদক সংরক্ষণ বা সরবরাহের তথ্য পাওয়া গেলে পুলিশ আইনানুগ ক্ষমতা প্রয়োগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

উল্লেখ্য, লাইসেন্সপ্রাপ্ত বারসমূহ তদারকির ক্ষেত্রে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) প্রধান ভূমিকা থাকলেও, তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামগ্রিক অপরাধ দমন ও তদন্ত কার্যক্রমকে সীমাবদ্ধ করে না। কোনো স্থানে ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হওয়ার উপাদান পাওয়া গেলে, আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা পুলিশের দায়িত্ব। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টি প্রযোজ্য হলেও জরুরি পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা আইনসিদ্ধ।

প্রতিবেদনে উত্থাপিত ‘অবৈধ অভিযান”, “চাঁদাবাজি” ও “হয়রানি”-সংক্রান্ত অভিযোগ বাংলাদেশ পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। এ ধরনের কোনো অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ প্রদান করা হলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশ পুলিশ এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।

এছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে বার বা রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেও লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে অবৈধভাবে নিকোটিনযুক্ত সীসা মজুত ও বিক্রয়, অননুমোদিত বিদেশি মদ বিক্রয়, পারমিটবিহীন ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক গ্রাহকের নিকট মদ বিক্রয়, অনুমোদিত সময়ের বাইরে বার খোলা রেখে সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট করা এবং বারের ভিতরে অসামাজিক, অশালীন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ পাওয়া যায়, যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরে এলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সুতরাং বিষয়টি একপাক্ষিকভাবে উপস্থাপন করা হলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর।

ভবিষ্যতে সুনামধণ্য গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন আকারে প্রতিবেদনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এরূপ তথ্য প্রচার ও প্রকাশ করা থেকে সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও ব্যক্তিবর্গ বিরত থাকবে এবং দায়িত্বশীল আচরণ করবে- এটাই ডিএমপির প্রত্যাশা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

  • Share
  • Post
  • Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email

Like this:

Like Loading…

Related

Author

সাপ্তাহিক একুশে নিউজ

Follow Me
Other Articles
Previous

যৌতুকের দাবিতে ‘পরকীয়া নাটক’: গৃহবধূকে নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ

Next

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির ১ ও ২ নম্বর সাব-কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

No Comment! Be the first one.

Leave a ReplyCancel reply

স্বত্ব © ২০২৬ |  সাপ্তাহিক একুশে নিউজ
%d