Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
সাপ্তাহিক একুশে সাপ্তাহিক একুশে

সরকারি মিডিয়াভুক্ত অনলাইন মোবাইল নাম্বার-০১৭৯০৫৬১৫৯৭

সাপ্তাহিক একুশে সাপ্তাহিক একুশে

সরকারি মিডিয়াভুক্ত অনলাইন মোবাইল নাম্বার-০১৭৯০৫৬১৫৯৭

  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • কৃষি সংবাদ
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • আইন-আদালত
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সারা দেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
    • ফিচার
    • খাদ্য ও পুষ্টি
    • সম্পর্ক
  • কৃষি সংবাদ
  • আরো
    • ইসলামিক
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • শিল্প-সাহিত্য
    • আইন-আদালত
    • পড়ালেখা
    • সম্পাদকীয়
Subscribe
Close

Search

নরসিংদীতে গার্মেন্টসের জুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে তিন জনের আহত হওয়ার খবর গেছে। শনিবার(১৬ নভেম্বর) দুপুরে মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বালুসাইর এলাকার হোম টেক্সটাইলের সামনে এ সংঘর্ষ সূত্রপাত ঘটে। সংঘর্ষে আহতরা হলেন,মহিষাশুড়া ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী জুট ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম (৪৫) সুমন (২৪) ও জুয়েল মিয়া (২৭)। তারা সবাই সাইফুল গ্রুপের সমর্থক। তাদের মধ্যে আহত সাইফুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়,এই এলাকার বিভিন্ন কাপড়ের কারখানার জুটের নিয়ন্ত্রণ ছিল মহিষাশুড়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক সমীরের হাতে।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে এ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নেন বিএনপির কর্মী সাইফুল ইসলাম। শনিবার দুপুরে মহিষাশুড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মামুন মিয়া গ্রুপের লোকজন ওই এলাকার হোম টেক্সটাইল থেকে জুট মালামাল নিয়ে যাওয়ার সময় সাইফুলসহ তাঁর লোকজন বাঁধা দেয়। পরে নরসিংদী শহর থেকে কিছু লোকজন গিয়ে মামুনের পক্ষে সাইফুল ইসলাম গ্রুপের লোকজনের ওপর হামলা করে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিপেটা করে চলে যায়।আহত সাইফুলকে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। আহত অন্য দুজন স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছে।
আহত সাইফুলের ভাই ইকবাল হোসেন বলেন, আমরা জুট ব্যবসার জন্য বিভিন্ন কারখানাকে অগ্রিম টাকা দিয়েছি। কিন্তু ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মামুন ও তাঁর লোকজন কারখানা থেকে জুট নিয়ে যায়। আমার ভাই কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কোনো কথাবার্তা ছাড়াই নরসিংদী শহর থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে হামলা চালিয়ে পিটিয়ে আহত করে। আমার ভাই আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমরা পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে আইনি পদক্ষেপ নেব।আহত জুয়েল মিয়া বলেন, আমরা হোম টেক্সটাইলের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ মামুনের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। আমরা তাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার দাবি করছি।তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মাধবদী থানার অফিসার ইনচার্জ তছলিম উদ্দিন বলেন,দুই গ্রুপের মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

  • Share
  • Post
  • Share on WhatsApp (Opens in new window) WhatsApp
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email

Like this:

Like Loading…

Related

Author

সাপ্তাহিক একুশে নিউজ

Follow Me
Other Articles
Previous

কালীগঞ্জের বরখস্তকৃত শিক্ষিকা মনিরাকে পূর্ণঃবহালের আদেশ হাফিজুর রহমান, কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) থেকেঃ বাবার মুক্তিযোদ্ধা কোটায় মনিরা জাহান চাকরি বাগিয়ে নিয়ে ২০১৭ সালের ১৮ অক্টোবরে সহকারী শিক্ষীকা হিসাবে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার শুইলপূর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। প্রভাষক স্বামী আব্দুল গফুর ঢাকার একটি কলেজে চাকরি করার সুবাদে স্বামী সন্তান নিয়ে সেখানে বসবাস করেন। কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে ২০২০ সাল থেকে মাঝে মাঝে বিদ্যালয়ে আসলেও গত ২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে অদ্যবধি এক বারের জন্য হলেও পাঠদানের জন্য বিদ্যালয়ে আসেননি। ২০২২- ২৩ শিক্ষাবর্ষের ডি পি এড কোর্সে যোগদান করলেও সেখানে অনুপস্থিত থাকায় চতুর্থ টার্মের কার্যক্রম সম্পূর্ণ না করায় তাকে অব্যাহতি দেন সাতক্ষীরা পিটিআই সুপারেনটেন্ট। দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিঘ্ন ঘটায় ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাকির হোসেন কয়েকবার ঐ শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ও সাড়া না মেলায় তিনি একাধিকবার কালিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে ঘড়ি মিশি কাজ না হওয়ায় খুলনা বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন নলতা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ১৩/১০/ ২০২৩ ইং তারিখে পরিদর্শনে আসলে বিষয়টি প্রধান শিক্ষক শাকির হোসেন নজরে আনেন। বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন তাৎক্ষণিকভাবে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়া গত ৩০/ ১ /২০২৪ ইং তারিখে অত্র স্কুলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তার ও কার্যালয়ে গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যার প্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হোসনে ইয়াসমিন করিমী বিষয়টি তদন্তের জন্য শামনগর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবিরকে নির্দেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী শিক্ষা অফিসার হুমায়ুন কবিরের তদন্ত কার্যক্রম সহ অন্য কোন তদন্ত কার্যক্রমে উপস্থিত না হওয়ায় এবং তদন্তে শতভাগ সত্যতা মেলায় অভিযোগ গঠনের পর বিভাগীয় মামলা রুজু করেন সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হোসনে ইয়াসমিন করিমী । শিক্ষিকা মনিরা জাহানকে গত ২৫/৮/২০২৪ ইং তারিখে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা ২০১৮ এর ৪(৩ ) (ঘ) উপবিধি অনুযায়ী চাকরি থেকে বরখাস্ত করেন । সচিবের নাম ভাঙিয়ে ৭৯৫ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ক্ষমতাধর ঐ শিক্ষিকা মনিরা জাহান উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে খুলনা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে চাকরি থেকে অবসরের শেষ কার্য দিবসে অর্থাৎ গত ২৪ /১০ /২০২৪ ইং তারিখে বরখস্তের আদেশ বাতিল করে ১২,৭৪০ টাকার স্কেল থেকে ১১ হাজার টাকায় বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে বিদ্যালয়ে যোগদানের আদেশ প্রদান করলেও আজও পর্যন্ত তাকে বিদ্যালয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি । চঞ্চল্যকর , অবিশ্বাস্য হলেও এমন ঘটনা ঘটে চলেছে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়া সিমলা ইউনিয়নের ৭০ নং শুইলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মনিরা জাহানের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম অভিযোগ নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সচিবের অফিসে ধরনা ধরলেও তার অভিযোগ গ্রহণ করেনি । শিক্ষক স্বল্পতায় ঐ বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদানের বিঘ্ন ঘটায় এলাকার অভিভাবক ও সুধী সচেতন মহলের মধ্যে চরম হতাশা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক ছাকির হোসেন আবারো গত ১২ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর প্রতিকার চেয়ে আদেশের বিরুদ্ধে আবারো লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। গত বৃহস্পতিবার সরে জমিনে গেলে ঐ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক সাকির হোসেন, সহকারী শিক্ষীকা তুলসী ব্যানার্জি ,মিনতি রানী ,বাসন্তী রানী ,প্রাক্তন সভাপতি রফিকুল ইসলাম, চেয়ারম্যান নাজমুল হোসেন নাঈম সহ শত শত অভিভাবক সুধী বৃন্দ সাংবাদিকদের জানান নলতার মাঘুরালি গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মৃত ওয়াজেদআলী বিশ্বাসের কন্যা মনিরা জাহান সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে গত ১৮/১০/২০১৭ ইং তারিখে ৭০ নং শুইলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় যোগদান করেন। কাজলা ইছাপুর গ্রামের আব্দুল গফুরের সঙ্গে বিবাহ হওয়ার পর থেকে স্বামী ঢাকায় একটি কলেজে চাকরি করার সুবাদে সেখানে সপরিবারে বসবাস শুরু করেন ।যে কারণে ২০২০ সালে জানুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত ৭৬ কার্য দিবস, ২০২১ সালে ২৬৬ কার্য দিবস এবং ২০২৩ সাল হতে অদ্যবধি ৫৫৩ মিলে সর্বমোট ৭৯৫ কার্যদিবস বিদ্যালয়ে হাজির না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এর আগে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ফলাও ভাবে প্রকাশিত হলে টনক নড়ে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসের । বিষয়টি নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কালিগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আশিস নন্দীর ,অফিসের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান এবং গোলাম ফারুক একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান এবং তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় বিষয়টি সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়। উক্ত অভিযোগ এবং খুলনা বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশের প্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হোসনে ইয়াসমীন করিমী শ্যামনগর উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার হুমায়ুন কবিরকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলীর জন্য নির্দেশ দেন । জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির গত ২৭/৬/২০২৪ ইং তারিখে সরে জমিনে তদন্ত করেন। তদন্তকালে এবং তদন্তের আগে অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষিকা মনিরা জাহানকে একাধিকবার কারণ দর্শানোর জন্য এবং উপস্থিত হওয়ার জন্য লিখিত নোটিশ দিলেও তিনি কোন চিঠির জবাব না দেওয়া এবং তদন্ত কার্যক্রমে উপস্থিত হতে দেখা যায়নি । তদন্ত কর্মকর্তার তদন্তে শতভাগ সত্যতা পাওয়ায় জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট লিখিত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন । উক্ত তদন্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু এবং অভিযোগ গঠন করা হয় । উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৫/৮/২০২৪ সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার হোসনে ইয়াসমিন করিমী স্বাক্ষরিত ৩৮.০১.৮৭০০.০০০.০৪.০০৪.২৩.১৬৭৩ নং স্মারকে এক অফিস আদেশে বলা হয় ১/১/২০২০ থেকে ১৬/৩/২০২০,১১/১/২০৩১ থেকে ২৭/২/২০২১ এবং ৫/৯/২০২১ ইং তারিখ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে অনুমোদিতভাবে অনুপস্থিত ছিলেন ,ডিপিএড কোর্স হতে ১৪/৫/২০২৩ তারিখ হতে ৩১/৫/২০২৩ পর্যন্ত অনুপস্থিত থাকায অব্যাহত সহ আজ পর্যন্ত অন অনুমোদিত ভাবে বিদ্যালয় অনুপস্থিত থাকা এবং বিভিন্ন কারণ দর্শানো এবং শুনানিতে অংশ না নেওয়া, তদন্ত কার্যক্রমে সহায়তা না করা সহ তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনে অপরাধ সন্দেহাতিত ভাবে প্রমাণিত হওয়া এবং কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও কর্তব্যে অবহেলার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা দারুণভাবে ব্যাহত হয়েছে । সেহেতু সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা ২০১৮ এর ৪(৩)( ঘ ) উপবিধি অনুযায়ী কর্মস্থলে অনুপস্থিতির তারিখ ১৪/৫ /২৩ থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করন (dismissal form service ) করা হয়। বরখাস্তের খবরে শিক্ষিকা মনিরা জাহানের গাত্রদাহ শুরু হলে তিনি খুঁটির জোর দেখিয়ে শিক্ষাসচিবের নাম ভাঙিয়ে খুলনা বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন চাকরি থেকে অবসরের দিনে শেষ কর্ম দিবসে মোটা অংকের টাকা ঘুষ দিয়ে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করলে খুলনা বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন গত ২৪১০ ২০২৪ ইং স্বাক্ষরিত ৩৮.০১.৪০০০.০০০.০৪.০১৩.১৯-১৬১৬ নং স্মারকে চাকুরীর শেষ কার্য দিবসে ঘুষের টাকা হজম করতে উক্ত শিক্ষীকার কাগজপত্র পর্যালোচনা করে অপরাধের তুলনায় প্রদত্ত দন্ড অধিক হয়েছে এই মর্মে গুরুদণ্ড বাতিল করে লঘুদন্ডে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা ২০১৮ এর বিধি ৪(২)( ঘ ) অনুযায়ী বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনতি করন করা হয়। অর্থাৎ তার মূল বেতন ১২,৭৪০ টাকা হতে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করে যোগদানের তারিখ থেকে আদেশ কার্যকর করার আদেশ দেন। বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন বাড়িতে বসে পেনশনের হিসাব নিকাশ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও শিক্ষিকা মনিরা জাহানের কোন খোঁজ মিলেনি আজও পর্যন্ত ঐ বিদ্যালয়ে । যে কারণে ৪ জন শিক্ষক দিয়ে পাঠ দান করতে ভিষন ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। যার ফলে ৫ জন শিক্ষকের স্থলে দীর্ঘ ৫ টি বছর ৪ জন শিক্ষক দিয়ে চালালেও বর্তমান তুলসী দাস নামক ১ জন শিক্ষিকা দীর্ঘদিন অসুস্থ হওয়ায় বর্তমান কোমল মতি শিক্ষার্থীদের পাঠদানের দারুন ব্যাঘাত ঘটছে বলে ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্টরা জানান । বিষয়টি প্রধান উপদেষ্টা ডঃ ইউনুস সহ শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব সহ জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী । তবে দায়িত্বরত উপজেলা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে আপিল না করলে বিষয়টির কোন সমাধান হবে না বলে সাংবাদিকদের জানান শিক্ষক, অভিভাবক, এলাকাবাসী। তারা আরো বলেন যতক্ষণ ঐ শিক্ষিকার পদ শূন্য না হবে ততদিন সমাস্যার সমাধান হবে না। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আশীষ কুমার নন্দীর নিকট এ বিষয় জানতে চাইলে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। ঘটনা সত্যতা জানার জন্যখুলনা বিভাগীয় সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমানের মোবাইল ফোনে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Next

প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সব প্রকার দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করতে হবে : আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া

No Comment! Be the first one.

Leave a ReplyCancel reply

স্বত্ব © ২০২৬ |  সাপ্তাহিক একুশে নিউজ
%d