1. weeklyekusheynews@info.com : mcc :
  2. info@www.weeklyekusheynews.com : সাপ্তাহিক একুশে নিউজ :
শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
৭৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে বাড্ডা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ফরিদপুর জেলার ভাংগা থানার কাউলীবেড়া ইউনিয়নের বৃহত্তর সংগঠন খিদমাতুল উম্মাহ সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদ কমিটি ! অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ আইন ও বিচার বিভাগের সচিব হিসেবে নিয়োগ পেলেন মাগুরার কৃতি সন্তান মোঃ লিয়াকত আলী মোল্লা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ১২ দিনব্যাপী বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ডিএমপির ডিবি প্রধান হলেন জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম মহম্মদপুরে আলোচিত “খবর মহম্মদপুর” ফেক আইডির বিরুদ্ধে ডিবি পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৪ মহম্মদপুরে বিলঝলমল কাঁচা রাস্তায় জনদুর্ভোগ সিলেট রেঞ্জ কার্যালয়ে জুলাই/২০২৫খ্রি. মাসের অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত

খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদ কমিটি ! অদক্ষতা ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

ভাঙ্গা, ফরিদপুর:
  • Update Time : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬১ Time View

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদ কমিটির বিরুদ্ধে কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম এবং জমি জবর দখলের ঘটনা যখন টক অব দ্যা টাউন । তখন বিষয়টি নিয়ে শুধু স্থানীয়ভাবেই নয় দেশব্যাপী বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।সারাদেশে বিষয়টি নিয়ে চলছে
তোলপাড় ।
দুই যুগ ধরে ‘নাল’ জমি নিয়ে নাটক-কেন?
প্রায় ২৫ বছর ধরে একটি ‘নাল’ জমিকে কবরস্থান বানানোর চেষ্টা করেও সভাপতি আহমদ মিয়া ও মাসুদ গংরা তাদের একত্রিত করা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে অসংগতি ও অনিয়ম থাকায় এখন পর্যন্ত জমির নামজারি করাতে সক্ষম হয়নি।
তাদের এই ব্যর্থতার পেছনে অসাধু উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত পেয়েছেন গ্রামবাসী।
কমিটির অগত্যা,অদক্ষতা, দুরভিসন্ধির প্রমান-
খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদের নাম সর্বস্ব কমিটি,
এক কথায় প্রকাশ করলে কাঠের পুতুল এর মতো।তারা আমেরিকার প্রবাসী ও এলজিআরডি কর্মকর্তার হুকুম ছাড়া কোনো কিছু আসলেই করতে পারেন না।বাদশা ওরফে রশিদের অনৈতিক ভাবে জালজালিয়াতির মাধ্যমে ঐ জায়গাটি জনৈক জায়গার বেপারি ইউনুস মাতুব্বর এর কাছে তার বৈমাত্রেয় বোনের হক সহ বিক্রি করে দিলে,আমেরিকা প্রবাসী সুচতুর সেলিম মুন্সি জায়গা উদ্ধারের নামে, মাত্র ৫০০০ টাকার বিনিময় মূল্যে ২০০১ সালে ইউনুস মাতুব্বর কে দিয়ে জায়গাটি মসজিদ কমিটির কাছে অপর্ণ করান।
খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদ সেলিম মুন্সিদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত। হামিদ চৌধুরীর জমিতে ভাগ বসয়ি তাদের দানবীর সাজার ঘটনা গ্রামবাসী সহজেই বুঝতে পেরেছিল।গ্রামবাসীরা জানান,হামিদ চৌধুরী ১৯৬৮ সালের অত্র উপজেলার আর অত্র ইউনিয়নের মধ্যে দানবীর ও সমাজ সেবক ছিলেন।
গ্রামবাসীরা ক্ষোভ ঝেরে বলেন,সেলিম মুন্সি ও ঐ সরকারি কর্মকর্তা গ্রামে কবরস্হান বানাতে চাইলে প্রয়োজনে ২ বিঘা জমি কিনে তারপর দান করলেই তো পারেন।তা না করে ঐ পরিকল্পিত কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত হয় আরেক পরিকল্পনাকারী এলজিআরডি এক কর্মকর্তা।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন,গ্রামের অনেকেই তাকে ডাকেন টাকার কুমির হিসেবে ।হাজার কোটি টাকা হয়ত তার হবে না,কিন্তু টাকা যা কামিয়েছে তাও গুইনা শেষ করা যাবে না।আওয়ামী হাসিনার আমলে এলজিআরডি বিভিন্ন প্রজেক্ট এর টাকা খাটরা গ্রামে এসেছে? কিভাবে তিনি এনেছেন ?হাসিনার আমলে গ্রামে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা ছিল তুঙ্গে ।গ্রামবাসী অনেকেই মনে করেন ঐ ব্যক্তির গত ১৭ বছরের আমল নামা বের করতে পারলে অনেক বড়সর কিছু উদ্ধার হতে পারে।কারন ঐ সময়ের মেগা দূর্নীতির সাথে এলজিআরডি ছোট আর বড় সবাই কম বেশি যুক্ত হয়ে নিজেদের আখের গুছিয়েছে।বিষয়টি যেহতু সামনে চলে এসেছে আমরা অবশ্যই আশা করি তার আমল নামাও উদঘাটন হবে ইনশাল্লাহ।

সভাপতি নাকি চৌকিদার !
আহমদ মিয়া সভাপতি হিসেবে মসজিদ কমিটির সকল দায় একা তার।অবশ্য সেক্রেটারি মাসুদ মিয়া দায় এড়াতে পারেন না ।দায়িত্ব নেওয়ার সময় তারা সকল কাগজ পত্র বুঝে নেয় এবং আর্থিক সকল হিসেবে নিকেশেও তখন তেমন গোজামিল ছিল না ।ব্যাংকে আহমেদ মিয়া ও মাসুদ মিয়ার স্বাক্ষরে টাকা জমা উত্তোলন হয়।
কিন্তু জমার সাথে ব্যয়ের হিসাবের যে অসংগতি তা কিন্তু চোখে পরার মতাই হবে।
এই কমিটির উদ্দেশ্য দুরভিসন্ধিমূলক, ঠিক কোন মাধ্যমে ঠিকাদারের থেকে চাদা উত্তোলন হলো কবরস্হানের নামে তা আমাদের বোধগম্য নয়।আর চাদার ভাগ কতজনের পকেটে ডুকেছে তাও তদন্ত হলে বের হয়ে আসবে।
বর্তমান সরকার কিন্তু চাদাবাজদের বিরুদ্ধে খুব কঠোর অবস্থান নিয়েছে ।ঠিকাদারের উদ্দেশ্য অবশ্যই প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে থাকবে ? আর বড় অংকের দান হয়ে থাকলে তা ব্যাংক জমা উত্তোলন না থাকলে তো বিষয় একবারে পরিস্কার ও স্বচ্ছ।

প্রশ্ন উঠেছে, মালিকানাধীন জমিতে কিভাবে এলজিআরডি ঠিকাদার এর টাকা খরচ হলো ? মসজিদ কমিটি কি নামে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের অর্থ ঠিকাদারের থেকে আদায় করেছেন এবং কোথায় বসে করেছেন আর টাকার বাহক কে ছিলেন ? তার রশিদ বা দান স্লীপ তারা কিভাবে দিলেন?ঘটনা যে ভাবেই সাজানো হউক না কেন তদন্ত হলে মেগা দূর্নীতির প্রমান মিলবে ।আর এই অনৈতিক কাজে যাদের ইন্ধন রয়েছে—তা স্পষ্ট করতে আমরা অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাই।

সভাপতির মন্তব্য !
মসজিদ কমিটির সভাপতি আহমদ মিয়া বলেন,“আমি টেন্ডার-ফেন্ডার বুঝি না।টাকা আইছে কাম করছি।সব জানে সেক্রেটারি মাসুদ ।উইই টাকা পয়সা নিয়া দৌড়াদৌড়ি করছে।

আমাদের প্রশ্ন – ঠিকাদারের টাকা সাদা নাকি কালো ? গ্রামবাসীর প্রশ্ন উন্নয়নের নামে দখল করা নাল জমি কবরস্থানের মতো একটা শান্তির জায়গায় ঠিকাদার ঠিক উদ্দেশ্য বিনিয়োগ করলো?
আমরা জানতে চাই – ঐ ধরেনর টাকা দিয়ে মাটি ভরাট ও প্রাচীর নির্মাণ সমাজে কি ভালো কিছু কি দিতে পারবে বা পারছে ?
এর থেকে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম যা শিখবে তা হলো,দূর্নীতি করেও ধর্মীয় কাজে টাকা দান করা যায় ।যা নৈতিক অবক্ষয় বাড়িয়ে দিবে।মানুষের জীবনে নৈতিক ভিত্তি না থাকলে সমাজে সংকট তৈরি হবে।

খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদ কমিটির স্বেচ্ছাচারিতা,অদক্ষতা,দূর্নীতি দীর্ঘ সময় খাটরা গ্রামের ইতিহাসের পাতায় এক কলংকের স্বাক্ষী হয়ে থাকবে। এই উন্নয়নের টাকার বৈধতা কেউ কি দিতে পারবে ?
এই উন্নয়নের নামে ঐ টাকার কোন নৈতিক বৈধতা কি আছে ? অনেক কিছুই সামনে হয়ত বের হয়ে আসবে ।কেউ ভালো সাজার চেষ্টা করবে।কেউ দায় অন্যের কাধে চাপিয়ে দূরে থাকার চেষ্টা করবে।

পত্রিকায় প্রকাশিত ,খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদ কমিটির এই ঘটনাটির ইতিহাস বা অভিযোগ যাই বলি না কেন কেউ আর কোনদিনই তা ঘুচাতে পারবে না।ঐ মসজিদ কমিটির কোনই দায়বদ্ধতা নেই।
অভিযোগ যে সরাসরি তাদের বিরুদ্ধে এটা তারা হালকা ভাবে নিয়েছে।আর হালকা ভাবে নেওয়ার প্রধান কারন আওয়ামী ছত্রছায়ায় থাকা অনেক বড় বড় রুই,কাতল,মৃগেলের মহাজনের অপকর্ম উদঘাটন হয়ে যাবে।আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি ঐ কর্মকর্তার সাথে আওয়ামী কানেকশন অনেক গভীরে এবং বর্তমানেও যোগাযোগ থাকতে পারে।বর্তমানে তিনি তার আওয়ামী পরিচয় ঘুচাতে দিন রাত চেষ্টা করছেন।
যদিও তা অনেক দেরি হয়ে গেছে বলেই আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে ।তাই ওরা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চায়।আপনাদের কমিটির কাছেই প্রশ্ন এই দূর্নীতির দায় ঘুচানো কি আপনাদের দ্বারা সম্ভব ?

ভূক্তভোগীর দাবী: আমাদের ৮.৮ শতাংশ জমি ফেরত চাই-
ভূক্তভোগী পরিবারের প্রতিনিধি ফয়সাল রাজু জানান,আমাদের ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া ৮.৮ শতাংশ জমি অবৈধভাবে দখল করে ঠিকাদারের অর্থে মাটি ফেলা ও প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। অথচ আমরা শুধু আমাদের অংশটাই ফেরত চাইছি।মসজিদ কমিটির নৈতিক কোন ভিত্তি নেই ।তারা যা করেছে তা ইসলামের মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক ।
ভূক্তভোগীদের দাবি, আহমদ মিয়া সভাপতি মসজিদ কমিটি ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রামবাসীকে ঢাল হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।জমি আমাদের, কাগজ আমাদের আর গ্রামের আবেগকে ব্যবহার করে অবৈধ কাজকে জায়েজ করার চেষ্টা কখনোই সফল হবে না।
যে খাটরা গ্রামের মসজিদের নাম হয়ত গ্রামের কিছু লোক জানতো ।আজ সেই খাটরা মুন্সি বাড়ি বাইতুন নূর জামে মসজিদ এর নাম মসজিদ কমিটির কারনে ছড়িয়েছে গ্রাম থেকে শহরে।তাদের অনাগ্রহেই বিষয়টি সমাধানের পথ ক্রমাগত সরু হয়ে আসছে।
তাদের বোঝা উচিত ছিল, যে বিষয় কেউই জানতো না,তা আজ কালের সাক্ষি হয়ে থাকবে কয়েক যুগ।এই ভরাট মাটি আর প্রাচীরই তাদের ঠিকাদারি অপকর্মের সাক্ষি হয়ে থাকবে।
পত্রিকা প্রকাশিত প্রতিটি রিপোর্টে তাদের নামের সাথে দূর্নীতির অভিযোগ কিন্তু প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়ে থাকবে।এই তড়ানা তাদের একদিন তাড়িয়ে বেড়াবে।
অভিযোগ ,জায়গা ও প্রাচীর তাদের কর্মের সাক্ষি হয়ে ঐ খাটরা গ্রামেই থাকবে।খাটরায় কবরস্থানের নামে ঠিকাদারের টাকার নির্মিত প্রাচীর শুধু দূর্নীতি ও অপকর্মের সাক্ষি ও স্মৃতি হয়ে দাড়িয়ে থাকবে।মনে রাখবেন,সত্য আজ সমাগত, মিথ্যা বিতাড়িত, মিথ্যা বিনাশ, সত্যই অবসম্ভাবি।
সাংবাদিকদের আবারও অনুরোধ-
ফয়সাল রাজু বলেন,এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম উদঘাটিত মসজিদ কমিটি-নির্ভর দুর্নীতির ঘটনা হতে পারে। সাংবাদিক ভাইদের বলবো, আপনারা দয়া করে এই ঘটনাটি বেশি করে তুলে ধরুন। সাধারণ মানুষের স্বার্থে প্রকৃত সত্য যেন সামনে আসে।
ভূক্তোভূগি পরিবারের সদস্য ফয়সাল রাজু ,ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে, বিষয়টি সমাধান সহ ঐ ঠিকাদারকে চিহ্নিত করে উক্ত কর্মকাণ্ডে জড়িতদের সহ দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী জানিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved weeklyekusheynews.com প্রকাশক ও সম্পাদক মো:হাসানুজ্জামান (সুমন) সাপ্তাহিক একুশে নিউজ অফিস ঠিকানা:- স্বপ্ন সদন এপার্টমেন্ট ৬৭/৬৮ পাইওনিয়ার রোড.(২য় তলা) সেগুনবাগিচা,রমনা,ঢাকা। মোবাইল নং-+৮৮০১৭৯০৫৬১৫৯৭
প্রযুক্তি সহায়তায়: বাংলাদেশ হোস্টিং