অবৈধভাবে তেল মজুদ ও কালোবাজারি রোধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে মোহাম্মদপুর উপজেলায় ডিজেল তেল উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), যার সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি অসাধু চক্র গোপনে ডিজেল তেল মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছিল। তদন্তে উঠে আসে, বাবুল ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বাবুল ট্রেডার্সের গুদাম থেকে ৫৬০০ লিটার অবৈধভাবে মজুদকৃত ডিজেল তেল জব্দ করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, “জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। বাজারে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চালানো হবে।”
এলাকাবাসী প্রশাসনের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন পর এমন কার্যকর পদক্ষেপের ফলে তারা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, ইউএনও’র আন্তরিকতা, সততা ও দৃঢ় নেতৃত্ব প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসকে নতুন করে সুদৃঢ় করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত নজরদারি ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণই বাজার নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কার্যকর উপায়। মোহাম্মদপুরে পরিচালিত এ অভিযান তার একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।
মাগুরার মহম্মদপুরে ডিজেল তেল উদ্ধারে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযান শুধু অবৈধ মজুদদারদের জন্য সতর্কবার্তা নয়, বরং সাধারণ মানুষের জন্য একটি আশার আলো। বাবুল ট্রেডার্সের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ এবং ৫৬০০ লিটার তেল জব্দের ঘটনা প্রমাণ করে—আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দৃঢ় ও মানবিক নেতৃত্বে প্রশাসনের প্রতি জনগণের যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো সমস্ত সাক্ষাৎকার সম্পন্ন হয়নি।