মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. আসাদুর রহমানকে মারধরের অভিযোগে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান মিল্টন–এর নাম বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার হলেও দায়ের করা মামলার এজাহারে তার নাম নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মামলায় নাম না থাকায় মিল্টনকে আসামি করা হয়নি।
আহত চিকিৎসক অভিযোগ করেন, জরুরি বিভাগে এক মুমূর্ষু রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার সময় কয়েকজন যুবক তার সঙ্গে কথা বলতে চান। তিনি রোগী দেখার কারণে কিছু সময় পর কথা বলবেন জানালে তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কাজী আবু আহসান দাবি করেন, মিল্টন সরাসরি হামলায় জড়িত ছিলেন না; বরং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছিলেন।
অন্যদিকে মিল্টনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নাম প্রচার করা হয়েছে। এদিকে ভুক্তভোগী রোগীর পরিবার চিকিৎসকের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণের অভিযোগ তুলে বলেছে, জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা পেতে দেরি হয়েছে এবং বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজ দেখে যাচাই করা যেতে পারে।
মাগুরা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।